রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> ঝালকাঠিতে আগুন পুড়ে যাওয়া লঞ্চটিতে ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি যাত্রী বহন করা হচ্ছিল। লঞ্চটিতে ৩৫০ যাত্রী বহনের দাবি কর্তৃপক্ষ করলেও এতে ১ হাজারের কাছাকাছি লোক ছিল। এমনটাই জানিয়েছে বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা।
এদিকে সোহান নামে এক যাত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘লঞ্চটিতে ৯০০ থেকে ১০০০ যাত্রী ছিল।’
ঝালকাঠির পোনাবালীয়া ইউনিয়নের দেউরী এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামের লঞ্চে আগুন লাগে।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা মো. রায়হান জানান, রাত ৩টা ২৮ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস খবর পায়। ৩টা ৫০ মিনিটে ১৫টি ইউনিট আগুন নেভানো শুরু করে। সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশালের যুগ্ম পরিচালক এসএম আজগর আলী বলছেন, এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে যাত্রী ধারণক্ষমতা ৩৫০ জন। ঘাট ছাড়ার সময় নৌযানে ছিলেন মাত্র ৩১০ জন যাত্রী।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া জানান, মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।
লঞ্চে আগুনের ঘটনা তদন্তে বিআইডব্লিউটিএ ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কমিটি করা হয়েছে।’